Umrah (VIP) 4 Star
আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন- মানুষের মধ্যে যারা সেখানে (বায়তুল্লাহ) পৌছার সামর্থ রাখে তাদের ওপর আল্লাহর উদ্যেশ্যে এ গৃহের হজ্ব করা ফরয। আর কেউ যদি অস্বীকার করে, তাহলে তোমাদের জেনে রাখা উচিত যে, আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টি জগতের প্রতি মুখাপেক্ষী নন। – সূরা আল ইমরান : আয়াত-৯৭।
রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন-
তোমরা হজ্ব ও ওমরাহ্ পরপর একত্রে পালন কর। কেননা এ দুটি (হজ্ব ও ওমরাহ্) দারিদ্র ও গুনাহসমূহ এমনভাবে দূর করে দেয়, যেমন কামারের হাপর লোহা ও সোনা-রূপার ময়লা দূর করে দেয়। আর হজ্ব -এ মাবরূরের বিনিময় জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়। -সুনানে তিরমিযী, হাদীস : ৮১০; মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ৩৬৬৯; তাবারানী, হাদীস : ১০৪৬০;
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আরও বলেন-
হজ্ব ও ওমরাহ্ পালনকারীগণ আল্লাহর প্রতিনিধি দল। তারা দু’আ করলে দু’আ কবুল করা হয় এবং তারা কিছু চাইলে তাদেরকে তা দেওয়া হয়। -মুসনাদে বাযযার, হাদীস: ১১৫৩; মাজমাউয যাওয়াইদ, হাদীস : ৫২৮৮;
এ ছাড়াও রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-
যে ব্যক্তি হজ্ব করার ইচ্ছা করে, সে যেন তাড়াতাড়ি তা আদায় করে নয়। কারণ, যে কোন সময় সে অসুস্থ্য হয়ে যেতে পারে বা বাহনের ব্যবস্থা না-ও থাকতে পারে অথবা অন্য কোন সমস্যার সম্মূখীন হতে পারে। মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ১৮৩৩; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস : ২৮৮৩; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস: ১৭৩২; সুনানে দায়িমী , হাদীস: ১৭৮৪; মুসতাদরাকে হাকেম, হাদীস: ১৬৮৭; তাবারানী, হাদীস: ৭৩৮।
____________________________________________________________________________
উপরে উল্লেখিত উমরাহ্ প্যাকেজ মূল্য আমেরিকান ডলার বা সৌদি রিয়ালের দাম কম/বেশি হওয়ার ওপর নির্ভর করে কম/বেশি হতে পারে।
____________________________________________________________________________
হজ্ব বা উমরাহ্ যে কোন প্যাকেজে প্রয়োজনে যে কেউ আর্থিক সহযোগীতা (কর্জে হাসানাহ্) নিতে পারেন। কর্জে হাসানাহ্ এর নিয়ম হলো- কিস্তির মাধ্যমে প্রতি মাসে ১৫-২০ হাজার টাকা বা তার বেশি ৪ মাস অথবা ৫ মাসের মধ্যে প্যাকেজের অর্ধেক টাকা দিয়েই হজ্ব বা উমরাহ্ করতে পারবেন। হজ্ব বা উমরাহ্ শেষ করে নিজ বাড়ীতে ফিরে যাওয়ার পরের মাস থেকে প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে কিস্তির মাধ্যমে পরিশোধ করে দিবেন। তবে যদি হজ্ব করে ফিরে যাওয়ার পর, দেউলিয়া হয়ে গেলে বা আল্লাহ্ না করুক, ইন্তেকাল করলে বাদ বাকি টাকা (ফি সাবিলিল্লাহ্)।
(লাইসেন্স নং-১০০৮)
Details
- বিমান ডাইরেক্ট ঢাকা টু জেদ্দাহ্, জেদ্দাহ্ টু ঢাকা (যে কোন)
- মক্কার আবাসন- ৩০০ মিটারের মধ্যে (4 Star)
- মদীনার আবাসন-২০০ মিটারের মধ্যে (4 Star)
- ট্রান্সপোর্ট (Car / Micro Bus)
- খাবার- ৩ বেলা (সকাল, দুপুর ও রাত) দেশী
- জিয়ারা- কমন সবগুলো
মক্কার কমন (Common) জিয়ারাসমূহ, যা প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত।
০১/ জাবালে ছাওর বা ছুর বা গারে ছুর বা গারে ছাওর। (রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় হিজরতের সময় এই পাহাড়ের গুহায় ৩দিন অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন)।
০২/ উম্মুল কুরা ইউনিভার্সিটি।
০৩/ আরাফাতের ময়দান। (জিলহাজ্ব মাসের ৯তারিখে সমস্ত হাজী সাহেবদের যেখানে অবস্থান করতে হয় এবং সেদিন হাজী সাহেবরা এক্বিন ও ইখলাসের সাথে আল্লাহর কাছে যে দোয়া করেন তা কবুল হয়)।
০৪/ জাবালে রহমত বা গারে রহমাহ্। (হজরত বাবা আদম ও হজরত মা হাওয়া (আ:) দুনিয়ায় এসে এই পাহাড়েই প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল। এছ রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই পাহাড়ের চূড়া থেকে বিদায় হজ্বের ভাষণ দিয়েছিলেন। এই পাহাড়ের চূড়ায় উঠে ২ রাকাত নামাজ পড়ে এক্বিন ও ইখলাসের সাথে আল্লাহর কাছে দোয়া করলে তা কবুল হয়)।
০৫/ মসজিদে নামিরা : পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তর একটি মসজিদ। এটি বছরে মাত্র ৩ ওয়াক্ত নামজের জন্য খুলে দেওয়া হয় ৯ই জিলহজ্ব আরাফাত দিবসে। এই মসজিদ থেকেই হজ্বের খোৎবা দেওয়া হয়। হাজ্বী সাহেবদের এ মসজিদে জোহর ও আসর নামাজ একসাথে আদায় করতে হয়। এটি আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত।
০৬/ মুজদালিফা : এটি মক্কার নিকটবর্তী একটি সমতল এলাকার নাম। মিনা ও আরাফাতের পথে মিনার দক্ষিণ পূর্বে এর অবস্থান। হজের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্নের জন্য হাজিদের এখানে এক রাত অবস্থান করতে হয়।
৯ই জিলহজ্ব আরাফাতের ময়দানে অবস্থানের পর হজ্বপালনকারীরা মুজদালিফায় এসে রাত্রিযাপন করেন। এটা হজের অংশ।
এখানে রাতযাপন শেষে মিনায় শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপের জন্য এখানে থেকে পাথর সংগ্রহ করা হয়।
মুজদালিফায় একটি ঐতিহাসিক মসজিদ রয়েছে।
যার নাম মাশআরে হারাম। যাকে মুজদালিফার মসজিদও বলা হয়। মুজদালিফার কুজা পাহাড়ের নিচে হজরত রসূলুল্লাহ (সা.) অবস্থান করেছিলেন। এর সামনে মুজদালিফা ৫ নম্বর রোডের পাশে মসজিদটি অবস্থিত। প্রায় পনেরো হাজার মুসল্লি একসঙ্গে এখানে নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদের পেছনের দিকে ৩২ মিটার উচুঁ দু’টি মিনার আছে। অনেক দূর থেকে মিনার দু’টি স্পষ্ট দেখা যায়।
০৭/ মিনা হলো সৌদি আরবের মক্কা প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত মক্কা শহরের পার্শ্ববর্তী এলাকা। মক্কা থেকে এর দূরত্ব ৫ কিমি এবং এটি মক্কা থেকে আরাফাতের দিকে যাওয়ার সড়কের পাশে অবস্থিত। এর আয়তন প্রায় ২০ বর্গকিমি। এটি তাবুর শহর বলেও পরিচিত।
০৮/ রামি আল জামারাত "জামারতকে পাথর নিক্ষেপ" (শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ বলেও পরিচিত) ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম হজ্বের একটি অংশ। হাজিরা মক্কার পূর্ব দিকে অবস্থিত মিনায় তিনটি দেয়ালে (জামারাত নামে পরিচিত, ইতিপূর্বে এগুলো স্তম্ভ আকারের ছিল) পাথর নিক্ষেপ করেন। এটি হজ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মিনায় আসার পূর্বে মুজদালিফায় অবস্থানের সময় সাধারণত পাথর সংগ্রহ করা হয়।
০৯/ নহরে জোবায়দা : বাদশাহ হারুনুর রশিদ তার শাসনামলে হাজীদের পানির চাহিদা মেটানোর জন্য একটি দীর্ঘ ও প্রশস্ত খাল খনন করে, যা মিনা মুজদালিফার পাশ দিয়ে প্রবাহিত। এটি পাকা করা। বাদশাহ হারুনুর রশিদ তার স্ত্রী জোবায়দার নামে এটি নামকরণ করেন।
১০/ আল্ল-হ্ সুবহানাহু ওয়াতা'আলার নির্দেশে হজরত ইব্রাহিম আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ছেলে হজরত ইসমাইল 'আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ক্বুরবানি দেওয়ার জন্য যেখানে নিয়ে গিয়েছিলেন সেই জায়গাটি। যেখানে একটি ছোট মিনার রয়েছে।
১১/ জ্বীন মসজিদ : মক্কার যেই মসজিদে জ্বীন সম্প্রদায়ের কিছু জ্বীন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সাক্ষাৎ করে আলাপ-আলোচনা করেছিল এবং ইসলাম গ্রহণ করেছিল। এটি বায়তুল্লাহ শরীফের নিকটেই।
১২/ মসজিদে ফাতাহ্ : মসজিদে হারামের নিকটবর্তী ও জ্বীন মসজিদের বিপরীতে এই মসজিদটি অবস্থিত।
১৩/ জাবালে নূর বা হেরা পাহাড় : রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে পাহাড়ের গুহায় মোরাকাবা-মোশাহেদা করার সময় সর্বপ্রথম ক্বুরআ-ন নাজিল হয়েছিল।
১৪/ জান্নাতুল মাআলা বা জান্নাতুল মুয়াল্লা : উম্মুল মু'মিনিন হজরত খাদিজাতুল কোবরা রদ্বি'আল্ল-হু তা'য়ালা আনহাসহ বহু সাহাবী ও হাজ্বী সাহেবদের কবরস্থান।
১৫/ জিন্দা কবরস্থান : ইসলাম আবির্ভাবের আগে আইয়ামে জাহিলিয়াতের যুগে নারী শিশুদের যেখানে জিন্দা কবর দেওয়া হতো।
Write Your Review